নামাজের (সলাত)কথা কি পবিত্র গ্ৰন্থে
বলা হয়েছে ?
Explore diverse prayer methods to elevate. Have it the holly book?Find guidance, tips, and inspiration to connect more profoundly with your faith.📚📚
যাবতীয় প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহর, যাবতীয় দরুদ ও সালাম রাসুল(সা:) এর উপর।
শেষ ঐশ্বরিক পবিত্র আল কুরআন' যা শেষ রাসুলের উপর অবতীর্ণ হয়। যা সকল মানবজাতির জীবনাচারণ ও মহা সাফল্যের নির্দেশিক, সতর্ককারী ও ভয় প্রদর্শনকারী।
মানুষ সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ও বিশেষ দান প্রদও ক্ষমতার অধিকারী। সৃষ্টিকর্তা কিতাবে বলেছেন:
👉"আমি এই কিতাবে কোন কিছুই-বর্ণনা করতে ছাড়িনি" সূরা কাহফ-18-54 সূরা।
👉আল ক্বামার-54-17 বলেছেন: "আমি- কুরআন কে বোঝার জন্য সহজ করে দিয়েছি" ।
যেখানে সবকিছু বর্ণনা করেছেন! তো আমরা যদি বলি সেখানে তো বলা নেই আমরা ভাত, খেতে পারবো কিনা?
গান শোনা যাবে কিনা?
লেখা নেই- এ. আই, এর কথা।
স্যাটেলাইটের কথা-
ইত্যাদি ইত্যাদি।
এখানে বলা আছে যেমন: শিরক অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার অংশি স্থির করা হারাম।
মদ পান নিষিদ্ধ।
সুদ হারাম, পণ নিষিদ্ধ।
জ্বেনা হারাম, জেনে বুঝে মিথ্যে বলা হারাম, মিথ্য সাক্ষ্য, হক আত্মসাৎ, নরহত্যা, আত্মহত্যা- ইত্যাদি।
এতিম, মজলুম, অসহায় দের শোষণ, যাকাত না দেওয়া,। শস্যাদি দীর্ঘদিন মজুতদারী, প্ররোচনা, প্রতারণা ইত্যাদি!
আর যেগুলো বাধ্যত্যামূল করণীয়, ফরজ:
সলাত কায়েম করা যাকাত প্রদান করা, সিমাস পালম।
④ সৎ কাজ স্য পরামর্শ'
৫, অংশীদারের হক্ব আদাস। ⑥ সত্য, দ্বীণ প্রচার।
পরিবারের হক্ব আদায়।
বাবা, মা এর প্রতি দায়িত্ব কর্তব্য পালন।
সন্তাদের প্রাও দায়িত্ব পালন।
স্বজনদের হক আদায়।
প্রতিবেশির হক্ব আদায়। অন্যায় জুলুম এর প্রতিরোধ ইত্যাদি ।
কিভাবে তাও বর্ণনা করা আছে।
👉আল আরাফ - 7:31 "তোমরা আহার কর পান কর অপয়ে কোবো না"
নিষিদ্ধ আহার হল যেমন শূকরের মাংস, যেগুলো মাংশাসী- যারা শিকার করে নখ ও দাঁত দ্বারা।
নিষিদ্ধ পানীয়: মদ (মত্ত করে) আর যা কিছু শরিরের ক্ষতি করে।
👉আল বাক্বারাহ: ২-195 " তোমারা নিজেদের বংসের দিকে ফেলে দিওনা ।"
<ahttps://youtube.com/shorts/iT8gs4RFWUE?si=9SxFSxRduW4a-Fpu
জৈবিক জীবনে উল্লিখিত ব্যাপারগুলি নিষিদ্ধ বা হারাম এগুলো বাদে মানবজাতির জন্য স্থান, কাল, পরিস্থিতি, বিষয় ভেদে ঐচ্ছিক, সাযুজ্যপূর্ণ।
আআর যেগুলো ফরজ(বাধ্যতামূলক) বাকীগুলো ঐচ্ছিক বিবেচনা পুর্ন..
আর গুলো মানুষের অন্তর কিতাবে সহজাত ভাবে সৃষ্টিকর্তা প্রোগ্রামিং করে দিয়েছেন নফসের মাধ্যমে।
দিয়েছেন কম-বেশি (universal average) মনন, বুদ্ধি, বোধ, বিবেচনা, দয়া ইত্যাদি।
সৃষ্টিকর্তা মানব সৃষ্টি করেছেন তার প্রতিনিধী হিসাবে।
👉"কে তার কর্মে উত্তম তো দেখার জন্য"
কোরআন একটি signe, সবকিছুর মূলগত সারমর্ম এবং আর কিছু।
যা আমাদের to the paint এ বিশ্লেষণে বুঝতে হবে।
এতে সবকিছুর খোলা Answer দেওয়া মালে পরিক্ষার কোন মূল্য থাকবে কি করে।
আমাদের 'ইলম' অর্জনের জন্য ইতিহাস ভালভাবে জানতে হবে। হাদিস গুলো ভালভাবে জানতে হবে, যারা রিসার্চ করত চায়।
কুরআনের কিছু আয়াত ঘটনাবলী ও রুপকের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে।
এটি বলা আছে আল 👉ইমরান-3:7।
রাসূল (সা:) এর জীবন ছিল কুরআন' এর মতো।
তিনি কম কথা বলতেন। উত্তর দিতেন। বর্ণনা করতেন। যা ওহী ও ইলহাম করা হতো।
কুরআন একটি বিশেষ ওহী যা আসতো 'দিকরি' এর মাধ্যমে।
সময় এক অনুপম সৃষ্টি। যার অভিব্যাক্তিঃ নিয়মশৃঙ্খলা, অভিযোজন, পরিবর্তন, স্যাচুরেশন, ফলাফল, ইত্যাদি।
যেটা আমলের একটি শর্ত হতে পারে।
সলাত (নামায):
আল্লাহ তাঁর পবিত্র গ্ৰন্ন্থে সালাত( নামায) সম্বন্ধে যেসব আয়াতে বলেছেন।
যেমন আল হিজর: 👉-15:৮৭আয়াতে বলেছেন " আমি তোমাদের দিয়েছি 'বারংবার পঠিতব্য সাতটি আয়াত।
👉আন নিসা-২:43" তোমার নেশাগ্রস্থ আস্থার সলাতের নিকটবর্তী হয়োনা।"
👉মায়িদাহ-5:6- " তোমারা যখন সলাতের জন্য উঠবে তখন, মুখমণ্ডল ও কনুই কার্যন্ত হস্তদ্বয় ধৌত করবে, মাথা মাসেহ করবে ও পা গোড়ালী পর্যন্ত।"
👉বাক্বারাহ-২:144 "তোমারা সেখানেই থাক, কিবলার দিকে মুখ ফেরাও।
👉নিসা-4:103 "যখন তোমনা সলাত আদায় করে নেবে। তখন তোমরা, দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ কর।
👉আন নূর- ২৭-১৪ ফজরে সালাত।
👉রুম-30-18 অপরাহ জুহুর এর সলাত।
👉বাক্বারাহ-২:২৩৮,২৩৯তোমরা আল্লাহর সামনে বিনীত ভাব দণ্ডায়মান হও। পদাচারী বা আরোহী অবস্থায় নামাম আদায় করবে।"
👉ইমরান-3:39- " যখন যাকারিয়া ইবাদত কক্ষে দণ্ডায়মান ।
👉নিসা- ০৪:১০২ মখন তুমি (সাঃ) মূমিনদের মাঝে অবস্থান করবে তখন তুমি সলাত আদায় করবে। একটি দল যেন তোমার সঙ্গে দাঁড়ায়।
👉হাজ্জ্ব-২২:২৬-" আমার গৃহকে (কাবা গৃহ) পবিত্র রাখবে, তাওয়াফাকারী, সলাতে কিয়াম কারী, রুকুকারী ও সিজদাকারীদের জন্য।
👉ফাতাহ-48 "তারা কাফিরদের প্রতি কঠোর ও নিজেদের প্রতি দয়াশীল। তাদের তূমি দেখবে রুকু ও সিজদায় অবনত। তাদের মুখমণ্ডল সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট হয়ে আছে।
👉আনম- 6:162 -"আেপনি বলুন আমার সলাত, আমার কুরবানী, আমার জীনে মরণ আল্লাহর জন্য।
👉নিসা-4-101" তোমরা যখন দেশ বিদেশে সফর কর, এখন সালাত কসর করতে বিন্দুমাত্র মাত্র দোষ নেই।
👉ইউনুস-10:87 " মূসাকে ওহী করলাম মিশরে ঘর তৈরি কর,ইবাদত গৃহ ও সলাত প্রতিষ্ঠা কর।
👉হুদ-11-164 -"সলাত প্রতিষ্ঠা কর দিনের দু প্রান্তে ও রাতে।
👉ইব্রাহীম-14-31,40 "তাদের বলো সলাত প্রতিষ্ঠা করতে।
👉ইসরা-17 :78" সূর্য পশ্চিমদিকে ঢলে পড়ার পর থেকে গাঢ় অন্ধকার পর্যন্ত সলাত প্রতিষ্ঠা কর। ও ফজরে কুরআন পাঠ।
👉বাক্বারাহ-২:110 "তোমরা সলাত কায়েম নর যাকাত দাও।
👉ত্বহা-২০:14 "আমাকে স্মরণ করার উদ্যেশ্যে সলাত কায়েম কর।
👉22 :35.41 "তারা সলাত কায়েম করে সৎকাজ করে"
👉আন নূর ২4:56 "তোমা নিয়মিত সলাত কায়েম কর, যাকাত দাও, রাসূলের অনুগত্য কর।
👉নমল 27:3 "যারা নামাজ কায়েম করে যাকাত দেয়-তারাই বিশ্বাসী ।
👉আনকাবূত 29:45 "তোমার প্রতি যা ওহী করা হয় তা পাঠ কর, সলাত প্রতিষ্ঠা কর। নিশ্চয় আল্লাহর স্মরণই সর্বশ্রেষ্ঠ।
👉নুর- 30:31 তাঁর অভিমুখি হও। সলাত প্রতিষ্ঠা কর। মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়োনা।
👉লুকমান-31:17 " হে বৎস তুমি সলাত কায়েম কর সৎকাজের নির্দেশ দাও, বিপদে ধৈর্যধারণ কর- নিশ্চর্য তা দৃঢ় সংকল্পের কাজ।
👉ফাতির-35:29 যারা কিতার তেলাওয়াত কারে, সলাত প্রতিষ্ঠা করে।
👉আন নিসা-4:77 সলাতে ....
👉আস শুয়ারা- 42:38 -" নিয়মিত সলাত প্রতিষ্ঠাকর।"
👉মায়িদাহ-5:12,5 -" তোমাদের বন্ধু কেবল আল্লাহই, তাঁর রাসুল ও মুমিনগন, যারা সলাত কায়েম করে, যাকাত আদায় করে।
👉মুজাদিলাহ-58:13-সলাত ....
👉আল আরাফ-7:170-সলাত....
👉আল মুজামিমল-73: ২০ "তোমার প্রতিপালক জানেন কখনও রাতের দুই তৃতীয়াংশ ইবাদতের জন্য দাঁড়াও, কখনও অর্ধেক। কখনও এক তৃতীয়াংশ।
👉(৫৭) বাঈনাহ-98:5 "সলাত, এটাই সুদৃঢ় দ্বীন।
এসব আয়াত থেকে সূস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় সৃষ্টিকর্তা তার এবাদতের জন্য নিয়মিত আনুষ্ঠানিক নামাজের কথা।
যা আমাদের নিয়মিত করে,চেতনার উন্মেষ ঘটায় ,শৃঙ্খলা শেখায়, সত্যের অবলোকন করায়।
নামান হলো, সাক্ষ্য, ওয়াদা, স্মরণ, আমল। যা বাস্তব জীবনে কর্মে প্রয়োগ করতে হবে।
সলাত হলো ইবাদতের একটি মুখ্য দ্বার
একমাত্র নির্দিষ্টকৃত, এটাই সরল পথ।
এর বাস্ত প্রয়োগ না করলে এর ক্রিয়া কিভাবে প্রকাশ পাবে।
গায়েরর মালিক আল্লাহ, সবকিছুর মালিক আল্লাহ।
বিয়ের পাতার নির্জিব কালির রেখা গুলি আমরা পাঠ করি অন্তরে ভাবায়
মেলবন্ধন হিসাব মেলায়, তারপর শারিরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে বাস্তবে রুপ পায়, কার্য' শক্তি উদগীরণ করে।
বোধ, হিসাব, শৃঙ্খলার মাধ্যমে আসে। ইলম-আমল-প্রয়োগ =ফল।
তিমি স্পষ্টভাবে শুক্রসবের সলাতের কথা বলেছেন।
যা বিশ্বাসিদের সংহতি, একত্ত্ববোধ.. নিজেকে প্রকাশ করার সমাবেশ, ওসাদা, সাক্ষ্য।
নামাজের পদ্ধতি, ফাতিহা পাঠ, সুরা মেলানে এগুলো রাসুল দেখিয়ে গেছেন সাহাবিদের।
এগুলি একটি জিবন্ত হাদিস যা রাসুল দেখিয়ে গেছেন। কারণ নামাজ তখন থেকে আজ একদিনও বন্ধ নেই।
সঠিক পদ্ধতি মক্কা মদিনায় চলে আসছে।
মৌখিকভাবে হাদিসের বর্ণনা শুরু হয় রাসুলের নবুয়ত প্রাপ্তির পর অর্থাৎ ৬১০ খ্রীঃ থেকে।
তখন হাদীস সংকলধ করা রাসুল নিষিদ্ধ করেছিলেন।
তবে তথ্য অনুসারে প্রথম হাদিস গ্রন্থ 'জামে আ' বা 'সহীফা'। যেটা হ: আলী দ্বারা লিখিত হয়েছিল বলে জানা যায়। এটির উল্লেখ আছে এরশাদুল গুলূব দাইলামী' পৃঃ ৩০১ । 'তাজকেরা আঘতাব'খন্ড-১।
হাদীসের প্রাচীনতম বিস্তৃত গ্রন্থের মধ্যে, ইবনে আনাস, ইমাম মালিক'এর 'আল মুয়াত্তা' বিবেচিত হয়।
মক্কাজ ইবনে জুরাইজ এর সংকলনের জন্য পরিচিত ছিলেন।
তার পর-
মুহম্মদ আল বুখারি (১৯৪-২৫৬ হিজরি) * মহম্মদ ইবনে ইয়কুবুল কুলায়নী (২৫০-৩২) ")"
* ইবনে হাজার আল আসকালানী (৭৭৩-৮৫২)
* গালিহ আল মাজনদাহাণী (১০৮১)
* নাসিরুদ্দিন আলবানী
আরো অনেকে।
হাদীসগুলি তার গতিপথে সঠিক তথ্যের অভাবে ও মতভেদের কারণে ও বিভিন্ন কারণে এর মধ্যে জাল বানোয়াট, অতিরঞ্জিত ও ভুল ঢুকে পড়ায় সাধারন মানুষ বিভ্রান্ত ।
সহীহ হাদিস কখনোই কুরআনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না।
কিতাব বলছে "তোমরা সন্দিহান বিষয় ত্যাগ কর"
*" যদি বিতর্কের সৃষ্টি হয় তবে ফিরে এস কুরআন' ও রাসুলের দিকে। "
আরো বলেন "তোমরা পরিপূর্ণ রূপে আত্মসমর্পণ কর দ্বীন আলম্বন কর।
পরিপূর্ণ ঈমান, জ্ঞ্যান, নিয়ত ছাড়া নিজের সলাত প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।
মুনাফেকি সৃষ্টি হতে পার।
ইসলাম কোনও, ফেরকা, দল,মতভেদ, ভিন্নপন্থা নেই, থাকার নয় ।
বিশ্বাস থাকা যাবে না।
সলাত কায়েম বলতে প্রাথমিকভাবে ফরজ সলাত যা সমাজ জামাতের মধ্যে কায়েম করতে হবে।
খালিফ বা ইমামের মাধ্যমে।
বাকি নামাজ গুলি, আ্যাত্মিক চেতনার উৎকর্ষ ঘটাবে Gilorious of the God.
👉About the Author
Written by MD Nurul Alam, a writer interested in self-reflection, psychology, and spiritual growth. He explores how inner awareness and mindful practices can improve mental well-being and daily life.This blog focuses on self-reflection, prayer, and psychological well-being,
and tech, education.
